বুধবার, ৪ মার্চ, ২০১৫

ইসলামের শত্রু মুসলমানরাই


ধর্মকে
 অপমান আমার উদ্দেশ্য নয় । আমাকে মারবেন না ! 
২০০৩ সালের শেষের দিকে করা এক জরিপ অনুযায়ী বাঙলাদেশের গোটা জনসংখ্যার ৯০.৪ ভাগ ইসলাম ধর্মের অনুসারী মুসলমান। ৮.২ ভাগ হিন্দু । বাকি ১.৪ ভাগ বৌদ্ধ আর খৃস্টান ধর্মাবলম্বী । এই রিপোর্টে বলা হয়েছে , বাঙলাদেশে নাস্তিক খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর ! " atheism is extremely rare." 

২০০৩ থেকে ২০১৫ । এই সময়ের মধ্যে বাঙলাদেশে কতজন নাস্তিক হয়েছে ? আমরা যদি বাঙলাদেশের জন্ম থেকে আজ দিনটি পর্যন্ত হিসাব নিকাশ করি তাহলে হিসাবটা এই রকম দাঁড়ায় । বাঙলাদেশের বয়স প্রায় ৪৪ (চুয়াল্লিশ) বছর । ১৯৭১ থেকে ২০০৩ পর্যন্ত এই ৩২ বছরে বাঙলাদেশে নাস্তিক খুঁজে পাওয়া বেশ দুস্কর। বলছে জরিপ ।২০০৩ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত এই বার বছরে নাস্তিক হলেও সেটি নেহাতই বেশ অল্প ।
অথচ এই অল্প কজন নাস্তিকের জন্যে গোটা জনসংখ্যার ৯০.৪ ভাগ ইসলাম ধর্মের অনুসারী মুসলমান জঙ্গি হয়ে গেছে ! এখন মোল্লা দেখলেই বুকের ভেতর কেমন যেন চিনচিন করে ! মোল্লা যত পরিচিতই হোক না কেনো মনে হয় আড়ালে তার জঙ্গি হাসে !
ইসলাম ধর্মের অনুসারী মুসলমানরা যদি তাদের চিন্তা আর প্রজ্ঞা'র জায়গায় কাজ না করে তাহলে এই ইসলাম ধর্ম পৃথিবীর সবচে আতংকের ধর্মে পরিণত হবে । এখন ইসলাম ধর্ম এমন হয়েছে , এই ধর্ম নিয়ে কথা বললেই কোন এক অজ্ঞাত জায়গা থেকে রক্তের গন্ধ ভেসে আসে ! মুসলমানদের নিয়ে বেশ হাস্যকর একটা জোকস প্রচলিত আছে নাস্তিক সমাজে , " যে মসজিদে যাচ্ছে নামাজ পড়তে সেও মুসলমান । আর যে মসজিদে বোমা মারছে সেও মুসলমান" ।
আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি , ইসলামের শত্রু মুসলমানরাই । হাতে গোনা কয়েকজন নাস্তিক দিয়ে এতো বড় ধর্মের কিচ্ছু করা সম্ভব নয় । এটা মুসলমানরা যতো তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে ততো তাড়াতাড়ি আমার বাপ দাদার শান্তির ধর্ম ইসলামের হারানো সুনাম পুনরুদ্ধার করতে পারবে 

ধর্ম বিরোধিতা আর আর নাস্তিকতা এক জিনিস নয় / জিপসি রুদ্র

নাস্তিকতার সাথে ধর্মবিরোধিতার কোন সম্পর্ক নাই । নাস্তিকতার মানেই হল অবিশ্বাস । কার প্রতি অবিশ্বাস ? ঈশ্বরের প্রতি অবিশ্বাস । এটাই নাস্তিকতা ।যারা অমুক ধর্মকে গালি দেয়, তমুক ধর্মকে গালি দেয়, তারা সবাই অমুক ধর্মের বিরোধী তমুক ধর্মের বিরোধী টাইপ লোক ।তারা নাস্তিক নয় । 

আমার অফিসে প্রায় হাজার খানেক নারী পুরুষ আমার অধিনে কাজ করে এবং তারা প্রত্যেকেই জানে তদের বস নাস্তিক ।একদম বিশুদ্ধ নাস্তিক। প্রতিদিনই তাদের নানান রকম সমস্যা আমাকে সমাধান করতে হয় । একদিন এক ছেলে এলো অফিস ছুটির আধ ঘণ্টা আগে । বললো , বস... আমি বললাম, কি হয়েছে ? আমাকে আমার সুপারভাইজার আসরের নামজ পড়তে যেতে দিচ্ছে না । তোর সুপারভাইজার কে ? মাসুদ বস । বল তারে আমি ডাকছি । ছেলেটি দৌড়ে গিয়ে তার সুপারভাইজার মাসুদ'কে ডেকে নিয়ে এলো । আর আমি নির্দেশ দিলাম ।
যদি কেউ নামাজ পড়ার জন্যে যেতে চায় তাহলে তাকে যেন যেতে দেওয়া হয় । এটিই এখন আমার ফ্লোরের নিয়ম ।

"নিজের পথের পথিক হবি ।
জ্ঞান নিবি ওদের থেকে ।
ওদের পথের পথিক হলে
পাবি না তুই তোকে"

সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১৫

খালেদা সমীপে... / জিপসি রুদ্র

দেশীয় রাজনীতি মানেই এখন একটা বিরাট আতঙ্ক । আমি আগেও বলেছি , আওয়ামীলীগের রাজনীতি আমি ভীষণ ভয় পায় । বিএনপির রাজনীতি আমি একদমই পছন্দ করি না । জাতীয় পার্টি একটি চরিত্রহীন রাজনৈতিক দল । জামাত আলোচনার যোগ্য নহে ।
আর আমি এও চাইনা যে , দেশীয় রাজনীতি থেকে বিএনপির রাজনীতি একেবারেই জাদুঘরে চলে যাক । কিন্তু বিএনপি এখন যে ধরনের রাজনীতি করছে তাতে মনে হচ্ছে আমি না চাইলেও বিএনপির রাজনীতি এমনিতেই জাদুঘরে স্থায়ী দখল নিয়ে নিবে !
সমস্থ সমস্যার সমাধান দুই জায়গাতে করা যায় । একটা হল, আলোচনার টেবিল । বাকিটা , রাজপথ । এখন যেহেতু দেশীয় রাজনীতিতে আলোচনা করার জন্য এখনো কোন টেবিলই তৈরি হয় নাই সেখানে আলোচনার আপাতত কোন সুযোগ নাই । সেটা আমরা সাধারণ জনগন নিজ দায়িত্বে বুঝে নিয়েছি । বাকি রইল , রাজপথ ।
রাজপথে তার পক্ষেই সমাধান যায়, যার ক্ষমতা বেশি । এখন বিএনপি যে রাজপথে সমস্যা সমাধান করতে চাচ্ছে , তারা কি মনে করছে তারা সরকারের চাইতে বেশি ক্ষমতাবান ? সরকারের চাইতে বেশি ক্ষমতাবান হল জনগন । জনগন কি বিএনপির এই রাজপথের আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত ? আমার সোজা মাটা উত্তর । একেবারেই না । জনগন কখনোই পেট্রোল বোমা নিয়ে আন্দোলন করে না । জনগন কখনোই গাড়িতে আগুন দিয়ে আন্দোলন করে না । জনগনের আন্দোলন একেবারেই শান্তিপ্রিয় । তারা শান্তিপ্রিয় আন্দোলন দিয়ে সরকারকে বাধ্য করে , তাদের দাবী মেনে নিতে । কিন্তু এখন বিএনপি ভাড়াটে নিয়ে রাজপথে আছে । বিএনপি নেত্রীর এটা বুঝতে আর কত দেরি লাগবে ? বিএনপি নেত্রীর তারেক যে ভুল পথে হাঁটছে সেটা এখনো বোঝা হয়ে উঠেনি এই সমীকরণ বুঝাতো বেশ দুস্কর হবে বলে মনে হচ্ছে ! 
বিএনপির প্রতি আমার আহ্বান থাকবে, তারা আন্দোলনের নামে এই নৈরাজ্য না চালিয়ে দলীয় শক্তি সঞ্চারে যেন মনযোগী হয় । রাজপথ কখনোই বুইরা রাজনীতিবিদ দিয়ে দখলে রাখা যায় না । রাজপথ দেখলে রাখতে হয় ছাত্র আর যুবক দিয়ে । তাই বিএনপি নেত্রী ছাত্রদল ও যুবদলকে গোছানোর প্রতি মনযোগী হলে এই নৈরাজ্য চালানোর থেকে হাজার গুণ ভালো হবে ।
বাঙলাদেশে কয়টা কলেজ ছাত্রদলের নিয়ন্ত্রণে ? বাঙলাদেশের কোন জেলায় যুবদল সুসংগঠিত? বিএনপি নেত্রীর মাথা কি এতোটাই মোটা যে এই সহজ রাজনৈতিক সমীকরণ গুলো তার মাথায় ঢুকে না !
বিএনপি নেত্রী, তারেক'কে থামতে বলেন । দল গোছান । এই চলমান নৈরাজ্য এখনই বন্ধ করেন । বাসায় ফিরে স্বাভাবিক জীবন যাপনে মনোযোগ দেন। তারপর না হয় আন্দোলনের কথা ভাবা যাবে । আর সেই আন্দোলন হবে  সত্যিকার অর্থে একেবারেই জনগনের আন্দোলন । 

শনিবার, ১২ জুলাই, ২০১৪

আমার জন্মের কোন ইতিহাস নাই... / জিপসি রুদ্র

আমার জন্মদিনে যারা আমাকে উইশ করেছেন তাদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতা আমৃত্যু থাকবে... তবে আমি আমার জন্ম নিয়ে মোটেও গর্বিত নই বরং আমি খুবই বিচলিত ! আমি সব সময় ভাবি আমার জন্ম না হলে কি এমন ক্ষতি হতো পৃথিবীর? আর আমার জন্ম দিয়ে কি-ই-বা লাভ হলো? এই দুইটা প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে শূন্য! আমি একরাতে কথা বলেছিলাম এক ঠোকাইয়ের সাথে । এই ঠোকাইয়ের নাম ছিলো কামাল । বয়স দশ বার হবে । তখন রাত দুইটা ছুঁইছুঁই । জিজ্ঞাস করেছিলাম ।
বাড়ি কই ?
সে বলল, মাগুরা
বাড়ি যাস না?
না
ক্যান?
ভাল্লাগেনা ! সবাই আমারে মাগির পোলা ডাকে! আইচ্ছা ছার আমি একটা বিষয় বুইঝা উঠতে পারত্যাছিনা...
আমি জিজ্ঞাস করলাম, কি বিষয়?
মাগিবাজি করলে আমার মা করে । এইটা তার কাজ । তাই তারে সবাই মাগি বলে ডাকে । এইটা তার পরিচয় । কাজ দিয়েই তো ছার মানুষের পরিচয় তৈয়ার হয়। এই যে দেহেন আমি কাগজ ঠোকাই । আমার কাজ ঠোকাই ।  তাই আমার পরিচয় ঠোকাই । কিন্তু বাড়িতে গেলে আমারে ঠোকাই না ডাইকা আমারে ডাকে মাগির পোলা ! তাইলে ছার ব্যাপারটা কি দাঁড়াইলো?
আমি বললাম , কি দাঁড়াইলো...?
আমার মা'র কাজ দিয়ে আমার পরিচয়... ছার এইটা কি ঠিক? ছার মাগির পোলা কি কারো পরিচয় হতে পারে?
আমি সেই দিন তাকে কোন উত্তর দিতে পারিনি... ওই রাতে বাসায় এসে কামাল এর জায়গায় নিজেক দাঁড় করায় । আর লিখে ফেলি এই কবিতাটি...

আমার জন্মের কোন ইতিহাস জানা নাই
আমি কার ঔরসজাত তার সঠিক কোন তথ্য আমার মার কাছে নেই
টুনটুনিবালার কাছে শুনেছি মোয়াজ্জিনের গগন বিধারী ডাকের সময় আমার জন্ম
মোয়াজ্জিনের গগন বিধারী ডাক এখন আমার কাছে আতঙ্ক। 

এ পাড়ায় আমার অসংখ্য তরুন , মাঝবয়সী বাপেদের আগমন
এদের মাঝে কেউ একজন আমার বাবা
আমি যখন ও গলিতে যাই সবাই আমাকে জারজ বলে
অথচ এদের অনেকেই আমার এ পাড়ায় আসে
আমার মার স্তন চুষে
স্ফীত লিঙ্গের ধবাল কষাঘাতে আমার মার জরায়ূ জর্জরিত হয়।
তাদের বীর্যের সংমিশ্রনে আমার জন্ম।

প্রতিদিন কুকুরের ডাকে আমার ঘুম ভাঙ্গে
মোয়াজ্জিনের ডাকে আঁতকে উঠি
বাপেদের পদচারনায় মুখরিত হয় আমার মার ঘর
আর ................................................................
মানুষের কাছে শুনি আমার জন্মের কোন ইতিহাস নাই।

একটাইতো জীবন একটু অন্য রকম হলে ক্ষতি কি...! / জিপসি রুদ্র

আজকে গিয়েছিলাম একজনের সাথে দেখা করতে । তার সাথে অনেকদিন ধরেই ফোনে কথা হতো কিন্তু সময়ের অভাবে দেখা করা হয়ে উঠেনি । আজকে ফ্রি থাকার কারনে তার সাথে দেখা করার সিদ্ধান্ত ।
পূর্ব নির্ধারিত স্থানে দাঁড়িয়ে আছি প্রায় পনেরো মিনিটের চাইতে বেশি ।  মেয়েটি আসার কোন নাম গন্ধ নেই । একবার ভাবলাম চলে যাই । আবার ভাবলাম না আর একটু অপেক্ষা করি । পকেটে মোবাইলটা বেজে উঠলো । মোবাইলটা রিসিভ করে বললাম
কই?
সে বলল, তুমি কই
আমি যেখানে থাকার কথা সেখানে
পিছনে দেখো
আমি পিছন ফিরে তো অবাক ! অসাধারণ !
এই ! এই রকম হা করে আছো কেনো
আমার সরল উত্তর , আমি আমার লাইফে এতো কামুক  মেয়ে আগে দেখিনি !
ঢং!
ঢং না ঢং না ! বাসায় যদি আজকে আমার মা না থাকতো তাহলে তোমাকে আজকে আমার বাসায় নিয়ে যেতাম !
এই লুইচ্ছামি হচ্ছে কিন্তু...! সে মুখ টিপে বলল
ব্যাপার না বালিকা , চলো রিকশায় একটু লুইচ্ছামি করে আসি...
শুধু একটু...! একটু বেশি হলে কি সমস্যা...
“চলো কোন সমস্যা নেই” বলে রিকশার দিকে পা বাড়ালাম...
বালিকা বলল,  চলো ! একটাইতো জীবন একটু অন্য রকম হলে ক্ষতি কি...!


সোমবার, ৭ জুলাই, ২০১৪

বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাঙলাদেশ চলতে পারলে এই একজন সাকিবের জন্য বাঙলাদেশ ক্রিকেট থেমে থাকবে না... / জিপসি রুদ্র

পরিমার্জিত ক্রিকেট পাগল স্থুল চিন্তার মানুষের মাথায় চিন্তার নয়া খোরাক দিতে আমার এই লেখা । সাকিবের শাস্তি নিয়ে হা-হুতাশ করা বাঙলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বিপদজনক । খেলা’তো শুধু আমার আর আপনার আবেগ দিয়ে চলে না চলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম কানুনের মধ্য দিয়ে । আর সেই নিয়ম কানুন যে ভাঙ্গবে সেই শাস্তি পাবে এটাই আপাত দৃষ্টিতে সরল ও সহজাত। আর সে কতোবড় খেলোয়াড় তা বিবেচনায় না আনায় শ্রেয়...
সাকিব সিপিএল খেলতে যাওয়ার জন্য লিখিত অনুমতি না নিয়ে যে সঠিক কাজটি করেনি সেটি সে নিজেও জানতো । এটা খুব সোজা একটা কথা যে কোথাও খেলতে গেলে বোর্ডের লিখিত অনুমতি পত্র লাগে । আর সাকিব সেটা না নিয়েই উড়াল দিলো খেলতে । বোর্ড যদি এই ব্যাপারে আর নাক না ঢুকাতো তাহলে পানি আর এতোটুকু গড়াতো না । বোর্ড যখন নাক ঢুকালো তখনই সাকিবের উচিত ছিলো চুপচাপ কথা না বাড়িয়ে ফেরত আসা । কারণ সে প্রসিডিউর ঠিকঠাক মতো শেষ করেনি। কিন্তু সে সেটি না করে বাঙলাদেশ ক্রিকেটকেই থ্রেড দিয়ে বসলো সাকিব একবারও ভাবলো না সে কারে থ্রেড মারলো । আরে এই সাকিব এই বাঙলাদেশ ক্রিকেটেরই ঔরসজাত । সাকিবকে এই বাঙলাদেশ ক্রিকেটই লালন পালনে করে বড় করেছেআর সে কিনা ফাউল করার পরও নিজের অহংবোধ প্রকাশ করে বসলো । বোর্ড এখানে যা করার তাই করলো । আমাদের গ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে “ বাপের আগে বাল কাটতে গেলে ধোন কাটা যায়...” এই লেখাটা যেহতু অনেক সুশীল ব্যাক্তিরা পড়বে তাই কথাটা নিয়ে আর বিশধ ব্যাখ্যায় গেলাম না ।
যারা সাকিবের এই শাস্তি নিয়ে মায়া কান্না কাঁদছেন তারা একবার ভাবুন , আপনারা বাঙলাদেশের ক্রিকেটকে ভালোবাসেন নাকি সাকিবকে । হয়তো অনেকেই বলবেন দুই’কেই । যখন দেখবেন এই দুই’ইয়ে সংঘাত তখন তার একটিকেই বেঁচে নিতে হবে । আর সেক্ষেত্রে বাঙলাদেশের ক্রিকেটই সামনে চলে আসেকারন বাঙলাদেশ ক্রিকেটই সাকিবকে জন্ম দিয়েছে । এই বাঙলাদেশ ক্রিকেট বেঁচে থাকলে বহু সাকিবের জন্ম হবে । সাকিবের হুমকি ছাড়ার আগে একবারের জন্য হলেও ভাবা উচিত ছিল, এই বাঙলাদেশ ক্রিকেট থেকে বহু মহাকালের সাকিব এখন এফিটাফ। তাদের ছাড়া কি বাঙলাদেশ ক্রিকেট থেমে ছিলো ? এই মহাকালের সাকিব ছাড়া কি বাঙলাদেশ ক্রিকেট আজকের সাকিব হওয়া পর্যন্ত এগিয়ে আসেনি ? ব্যাপারটা আরও বোধগম্য করার জন্য বলতে হয় , সাকিব কি একবারও ভাবলো না , বঙ্গবন্ধু ছাড়া বাঙলাদেশ চলতে পারলে এই একজন সাকিবের জন্য বাঙলাদেশ ক্রিকেট থেমে থাকবে না...  

আপনি বোর্ডের অনুমতি নিবেন না, আবার সাকিবত্ব দেখাতে চাইবেন আর শাস্তি পাবেন না, এটা তো হয় না । বেয়াদবির একটা পরিশীলিত স্তর আছে সেটা অতিক্রম করলেই শাস্তি অবধারিত। তাই বিষয়টা নিয়ে ভাবুন ,  আজকে সাকিব কালকে অন্যজন তারপরদিন তারপরেজন এইভাবে বোর্ডের লিখিত অনুমতি না নেওয়ার মিছিলে থাকলে বোর্ড বলে যে একটা কিছু আছে সেটার অস্তিত্ব আর থাকবে?তাই ভবতে হবে নয়া করে চিন্তার পরিধি করতে হবে ব্যাপক । নিজের ধারণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে আরো... আগে বাঙলাদেশের ক্রিকেট তারপর সাকিব । আমাদের আজকের সাকিব নয় তাকেতে হবে ভবিস্যতের শত সাকিবের দিকে... যে সাকিব খেলবে দেশের হয়ে টাকার হয়ে না...     

শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০১৪

নারী শরীরে মিষ্টি ঘ্রান খোঁজার চাইতে রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে যারা আছে তাদের একটু জ্ঞান দেওয়া অনেক শ্রেয়... / জিপসি রুদ্র

বাপ্পি খুব নারী পাগল ছেলে । নারী শরীর ঘেঁসতে তার খুব ভালো লাগে । বলতে গেলে বলতে হয়, নারীই তার একমাত্র প্রিয় । নারী শরীর নিয়ে তার অভিজ্ঞতা এমন পর্যায়ে ঠেকেছে যে, সে যেকোন নারীর চুলের ঘ্রান শুঁকে বলে দিতে পারে চুলে কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করা হয়েছে আর গায়ে কোন সাবান । কিন্তু ইদানিং তার আর নারী ভালো লাগে না ।নারী থাকে আর আগের মতো কাছে টানে না । নারী থাকে আর আগের মতো ভাবায় না ।
বাপ্পিকে এখন অন্য কিছু ভাবায় । আজ সকলে বাজারে গিয়ে তার কাছে মনে হলো এই রমাজানে আল্লাহর রহমত সবচেয়ে বেশি পড়েছে কাঁচা বাজারের উপর । সব কিছুর দাম প্রায় ডাবল । বেগুনের উপর আল্লাহর রহমত পড়েছে একটু বেশি। তাই মনে হয় বেগুন বিক্রি হচ্ছে আশি টাকায় । তাই বাপ্পির ভাবনার বিষয়টি এখন কৃষি পন্য । হঠা করে কৃষি পন্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার কোন কারন বাপ্পি খুঁজে পাচ্ছে না ।তার ধারণা কৃষি মন্ত্রণালয়ে থাকা মন্ত্রী আর বানিজ্য মন্ত্রণালয়ে থাকা মন্ত্রীর মধ্যে কোন রকম যোগাযোগ নেই। এই দুই মন্ত্রীর ব্যর্থতার কারনে বাজারের এই অবস্থা । তাই তার ইচ্ছা করছে এই মুহূর্তে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী আর বানিজ্য মন্ত্রণালয়ে থাকা মন্ত্রীকে ডেকে এনে কিছু জ্ঞান দিতে । ১. বাঙলাদেশের সকল মানুষকে হাতে কলমে বাধ্যতামূলক ছয় মাসের কৃষি ট্রেনিং কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ২. বাঙলাদেশের সকল ছাত্র ছাত্রীদের জন্য কৃষি শিক্ষা বাধ্যতামূলক ইন্টার মিডিয়েড পর্যন্ত এবং ছয় মাসের মাঠ পর্যায়ে বাধ্যতামূলক প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস নেওয়ার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ এবং যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই নির্দেশ অমান্য করবে সেই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি আর হেড মাস্টার বা অধক্ষ্যকে ১ বছরের কারাদণ্ড  ৩. কৃষকের উপাদিত পন্য ভোক্তাদের হাতে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের কড়া নজরদারি ৪. সিন্ডিকেটের হদিস পাওয়া গেলে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড আর ১০ লাখ টাকা নগদ জরিমানা অনাদায়ে আরও ৪ বছর জেল ৫. হাইব্রিড উপাদনের চাইতে দেশীয় পদ্ধতিতে চাষ আর দেশীয় বীজ সংরক্ষনে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহন ।


বাপ্পি মনে করছে ইদানিং তার মাথাটা ঠিকঠাক কাজ করছে না । তাই সে আগের মতো মেয়ের পিচে না ছুটে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকে জ্ঞান দিয়ে বেকার সময় কাটাচ্ছে... আবার মনে হচ্ছে নারী শরীরে মিষ্টি ঘ্রান খোঁজার চাইতে রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে যারা আছে তাদের একটু জ্ঞান দেওয়া অনেক শ্রেয়...